Guestbook

Date: 12/01/2012

By: Mujib shena

Subject: if the OC Shudram, Noakhali is more important than present Government image? Why he is still now there?

1.নোয়াখালীর মুক্তিযোদ্ধা দুলাল মিয়ার লাশ দাফনের সময় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দেওয়ার ঘট...নায় সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন তরফদার ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শিপু বড়ুয়ার বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব রশীদের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গতকাল শুক্রবার পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্তে দুই কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার হারুন-উর-রশিদ হাযারী।

গত সোমবার নোয়াখালী শহরের উত্তর সোনাপুর এলাকার বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা দুলাল মিয়া ইন্তেকাল করেন। তাঁর লাশ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বারবার অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু পুলিশ সময়মতো উপস্থিত না হওয়ায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই দুলাল মিয়ার লাশ দাফন করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধার প্রতি পুলিশের এই অসম্মানের খবর পরদিন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হলে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক পুলিশ সুপারকে তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পুলিশ সুপার জানান, তদন্ত প্রতিবেদন আজ শনিবার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।
2.প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যবসায়ী আইনুল ইসলাম আকুতি জানিয়ে বলেছেন, 'চাঁদাবাজ ওসি ও দারোগা এবং তাদের সাঙ্গপাঙ্গদের হাত থেকে আমাকে ও আমার পরিবারকে বাঁচান।' নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর ব্যবসায়ী জালাল আহাম্মদ বদিউলের পুত্র আইনুল ইসলাম নোয়াখালী সদর থানার বিতর্কিত ওসি মোশারফ হোসেন তরফদার, দারোগা মাহবুবুর রহমান ও চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের নির্যাতন থেকে বাঁচতে রাষ্ট্র প্রধানের কাছে এ আর্তি জানিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে তিনি জেলার প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র চৌমুহনী শহরে একটি পত্রিকা অফিসে এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে এ দাবী জানান। ভিকটিম আইনুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে বলেন, 'তিনি গত ২৮ মার্চ ২০১০ইং তারিখে ফকিরপুর মৌজায় অবস্থিত হাজী আব্দুল হাই ডিলারের কাছ থেকে একটি পুরাতন বিল্ডিংসহ ৭ শতাংশ ভূমি ২৮ লাখ টাকা মূল্যে ২৫ লাখ টাকা বায়না চুক্তিতে সদর সাব-রেজি: অফিসের মাধ্যমে ক্রয় করেন। ১ বছরের মধ্যে ভূমিটি ছাপ-কবলা রেজিষ্ট্রি করে দেয়ার কথা ছিল। এরিমধ্যে সম্পত্তিটির দাম বেড়ে যাওয়ায় দীর্ঘ ৩ মাসেও বিক্রেতা জমি বুঝিয়ে না দিয়ে তাকে সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে উল্টো হুমকি ধামকি দিতে থাকে। তাদের হুমকি ধমকি ও ষড়যন্ত্রের বিষয়টি আঁচ করতে পেরে তিনি নোয়াখালী পুলিশ সুপার বরাবরে ও সদর থানাতে পৃথক অভিযোগ দায়ের করেন। এতে জমির বিক্রেতা ও তার সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ বাহিনী আইনুলের উপর আরো বেশী ক্ষুদ্ধ হয় এবং প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। প্রাণ ভয়ে তিনি নিরাপত্তার জন্য সদর থানায় আরেবটি জিডি করেন। এর পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১১ইং তারিখ সকালে তিনি এনসিসি ব্যাংক, মাইজদী কোর্ট শাখা থেকে ০১৪০৩৪৮৮৫ নং চেকে ৩ হাজার টাকা উত্তোলন করে আসার পথে ভূমি বিক্রেতার ভাগিনা সামছুদ্দিন জেহানের দোকানের সামনে থেকে টাকার বিনিময়ে নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানার ওসি মোশারফ হোসেন তরফদারসহ ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও ভূমি আত্মসাৎকারীরা তার উপর হামলা চালিয়ে টেনে হেঁছড়ে, জোর পূর্বক জেহানের দোকানের ভিতর নিয়ে যায়। এসময় তাকে ধর্ষণ, ইভটিজিং ও নারী নির্যাতনের ভূয়া মামলায় আটক দেখিয়ে মারধর শুরু করে। তার সাথে থাকা কয়েকজন বন্ধু এগিয়ে এলে তাদেরও লাঞ্চিত করে পুলিশ ও সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা। ঘটনার সময় থানার এসআই মাহাবুবুর রহমান মিলে তার পকেটে থাকা ৩ হাজার টাকা ও ওসিসহ অন্যান্যরা জোরপূর্বক চেক বই থেকে ১৪০৩৪৮৮৬নং একটি চেক, ২টি নকিয়া ২৭০০ ও ১২০৯ মডেলের মোবাইল সেট ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এরপর তাকে থানায় নিয়ে রাতভর ব্যাপক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। তিনি থানা হাজতে থাকা অবস্থায় থানার সোর্স ও দারগা মাহবুবুর রহমান মিলে তার আত্মীয় স্বজনের বাড়ীতে গিয়ে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। দাবীকৃত চাঁদা না পেয়ে পুলিশ তার উপর নির্যাতনের মাধ্যমে তথা কতিথ নাজমুন নাহার নামের এক বিধবা নারীকে ধর্ষনের ও নির্যাতনের স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করে। পরের দিন তাকে মূমূর্ষ অবস্থায় ভূমি বিক্রেতার ভাতিজি বিধবা নাজমুন নাহারের দায়ের করা একটি মিথ্যা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় কোর্টে চালান করে। পুলিশি নির্যাতনের কারনে জেল হাজতে তার শরীর থেকে প্রচুর রক্তপাত হলেও ওসির ইশারায় তাকে ভালো চিকিৎসা দেয়া হয়নি। এরি ফাঁকে তার ক্রয়কৃত জায়গাটি দাগনভূঁইয়ার মৃত হাজী হাবিবুর রহমানের পুত্র সফিকুর রহমানের কাছে ছাপ কবলামূলে বিক্রি করে দেয় এবং জেলে থাকাবস্থায় তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া চেকটি ডিজঅনার করে সাইদুন নবী নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু তিনি আদালতে মামলা করেন শহিদুন্নবী খান নামে। এতেই প্রমাণিত হয় মামলাটি ভূয়া। বর্তমানে উক্ত মামলাটি আদালতে বিচারাধীন ৩নং সাব জজ আদালতে চার্জ গঠনের জন্য আছে। এই মামলায় জমি বিক্রেতার ভাগিনা শাসক দলের সামছুদ্দিন জেহান ১নং স্বাক্ষী, বাকীরা তার বন্ধু।'

ভিকটিম জানায়, এখনও জমি বিক্রেতা, সুধারাম মডেল থানার ওসি ও তাদের চক্রের সদস্যরা যথাক্রমে স্টেডিয়াম পাড়ার আবুল কালাম আজাদের পুত্র ফারুক, একই এলাকার বিদ্যুৎ অফিস সংলগ্ন খান ভিলার নুর নবী খানের পুত্র শহীদুন্নবী খান (শরাদ), জমি বিক্রেতার পুত্র আবু নায়েম বাপ্পি, ভাগ্নি জামাই স্বপন, ভাতিজি নাজমুন্নাহারসহ সন্ত্রাসী বাহিনী ওসির শেল্টারে থেকে এখনো তাকে নিঃশ্বেষ করতে নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি ধর্ষণ, নারি ও শিশু নির্যাতন এবং অর্থ আত্মসাৎ মামলায় জামিন পাওয়ার কথা শুনে ষড়যন্ত্রকারীরা ওসির যোগসাজশে ২০১০ সালে মাইজদী শহরে সাদ্দাম হত্যা মামলায় জড়িয়ে তাকে শোন এরেষ্ট দেখিয়ে নির্যাতন করে। ঐ মামলার বাদীর দেয়া এজাহারে আসামীদের নামের মধ্যে আমার নাম ছিলনা। তবুও ওসিসহ ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে সেই মামলায় ফাঁসিয়েছে। পুলিশি ও সন্ত্রাসীদের অব্যাহত নির্যাতনে তিনি বর্তমানে শারীরিক ও মানসিক ভাবে অসুস্থ। ব্যবসায়ী আইনুল ইসলাম ক্ষোভ ও— দুঃখের সাথে বলেন, নিজের পকেটের টাকা দিয়ে সম্পত্তি ক্রয় করে কুচক্রী মহল ও ওসির লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ বাহিনীর দ্বারা আমি নির্যাতিত ও জীবন বিপন্ন। সুধারাম মডেল থানার ওসিসহ সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রীর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নাসির উদ্দিন বাদল/নোয়াখালী ওয়েব/১১ জানু্যারি ২০১২/০৪৪৮ঘ./নিউ

New comment